আগের মতো জমজমের পানি বিতরণ শুরু মদিনায়

মহামারি করোনার কারণে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনায় সারি সারি সাজানো জারে জমজমের পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল। দীর্ঘ প্রায় ২ বছর পর আজ থেকে মসজিদে নববির ভেতরে আগের মতো জারের মাধ্যমে জমজমের পানি বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে দেখা গেছে। এমনই তথ্য জানিয়েছে হারামাইন ডটইনফো ও হারামাইন আরকাইভস।

পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে সারি সারি সাজানো জমজমের পানির জার। হজের সময় ছাড়াও বছরজুড়ে ওমরাহ পালনকারী ও জিয়ারতকারীদের জন্য এসব জারে গরম ও ঠাণ্ডা জমজমের পানি সরবরাহ করে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।

একদল দক্ষ পানি সরবরাহকারী সার্বক্ষণিক এ কাজে নিয়োজিত থাকে। ট্রলি ভর্তি জারের মাধ্যমে সারি সারি সাজানো জারে গরম ও ঠাণ্ডা জমজমের পানি সরবরাহ করেন তারা।

মহামারি করোনা শুরু হলে সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার স্বার্থে পানি সরবরাহকারী কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় জমজমের পানি বোতলজাত করে দুই পবিত্র মসজিদে সরবরাহ করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ২ বছর পর পবিত্র মদিনার মসজিদে নববির ভেতরে আজ রাত থেকে ট্রলি ভর্তি জমজমের পানির জার নিয়ে পানি সরবরাহকারীদের নিজ নিজ কাজে যোগ দিতে দেখা যায়।

ইতিমধ্যে দিন দিন পবিত্র নগরী মক্কা-মদিনায় ওমরাহ ও জিয়ারতকারী উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও কড়াকড়ি থাকলেও পবিত্র নগরী মদিনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগে থেকেই জিয়ারতকারীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

তাই জিয়ারতকারীদের সুবিধার্থে বোতলের পরিবর্তে সারি সারি সাজানো জারের মাধ্যমে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে মদিনায়।

তবে পবিত্র নগরী মক্কায় এখনও বোতলজাত জমজমের পানি সরবরাহ করা হয়। সম্প্রতি আরব নিউজের তথ্যে হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপত্র হানি বিন হুসনি হায়দার জানান, প্রতিদিন পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০ হাজার করা হয়েছে।

আর ওমরাহ ও জিয়ারতকারীদের জন্য জমজমের পানি সরবরাহও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিদিন ৩ লাখ বোতল জমজমের পানি সরবরাহ করা হবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *