Wednesday , August 5 2020

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে এসেও বাড়ি ফেরা হলো না প্রবাসীর, দু’র্ঘটনায় বাবা,দুলাভাইসহ প্রবাসী নি’হ’ত

অনেক অপেক্ষার পর দেশে আসছিলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী এমদাদুল হক। কিন্তু দেশে এসেও

বাড়ি ফেরা হলো না তার। গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় প্রাইভেটকার নি’য়ন্ত্রণ হা’রিয়ে একই পরিবারের তিন জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

ঘটনায় আ’হত হয়েছেন চালকসহ আরও দুই জন। ফ্লাইওভারের রেলিংয়ের সাথে ধা’ক্কা লেগে দু’মড়ে-মু’চড়ে গেছে প্রাইভেটকারটি।

আজ ৩১ হুলাই বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টায় এ দু’র্ঘটনা ঘ’টে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান সকালে এসব তথ্য ‘নিশ্চিত করেছেন। নি’হ’ত’রা হলেন- খুলনার দিঘলিয়া থানার মোল্লাডাঙ্গা গ্রামের সিংগাপুর প্রবাসী এমদাদুল হক (২৫), তার বাবা জিয়ারুল হক (৫৫) এবং ভগ্নিপতি নড়াইলের কালিয়ার সাজ্জাদ মোল্লা (৩৫)।

আ’হতরা হলেন খুলনার তেরখাদা থানার কাটেঙ্গা গ্রামের আলামিন (২২) ও ড্রাইভার বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার পিঁপড়াডাঙ্গা গ্রামের শামীম (২৫)। তাদের মা’রাত্মক আ’হত অবস্থায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শ’য্যা বিশিষ্ট জে’নারেল হা’সপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে থা’নার ওসি মো. আতাউর রহমান জানান, সিঙ্গাপুর প্রবাসী এমদাদুল তার বাবা জিয়ারুল হক, ভগ্নিপতি সাজ্জাদ মোল্লা, বন্ধু আলামিন একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে রাতে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে খুলনায় তাদের বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

রাত পৌনে ৪টার দিকে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ঢাকা-

খুলনা মহাসড়কের রেলওয়ে ফ্লাইওভারের ওপর নি’য়ন্ত্রণ হা’রিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে জো’রে ধা’ক্কা খা’য়। এতে ঘ’টনাস্থলেই একই পরিবারের ওই তিন জন নি’হত হন এবং অপর দুই জন আ’হত হন।

ধারণা করা হচ্ছে, প্রাইভেটকার চালানোর সময় চালক ঘুমাচ্ছিলেন। এ কারণে এ ধরনের দু’র্ঘটনা ঘ’টেছে। দু’র্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারের সামনের ও পাশের অংশ ব্যা’পক ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছে।